Better Quality Better Service for Better Life, Call: 01758-930774
প্রায় ৫০ বছর ধরে ধুলিয়া ইউনিয়নের শত শত বাড়িঘর ভাঙতে ভাঙতে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন ইউনিয়নকে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়। নদীর ভাঙন ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং শেষপর্যায়ে তা ভাষা সৈনিক সৈয়দ আশরাফ হোসেনের বাড়ি ও কবরের কাছাকাছি চলে আসে। এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে, সৈয়দ রিপন উদ্যোগ নেন ধুলিয়ার জনগণকে সচেতন ও সংগঠিত করার জন্য। তিনি গণতান্ত্রিক সমাবেশসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্যোগ নেন।
এই আলোচনার ভিত্তিতে প্রথম আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ, বিকেলে, ঢাকার শ্যামলীস্থ গণতান্ত্রিক সমাবেশ কার্যালয়ে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন—
প্রধান সমন্বয়ক জিয়া উদ্দিন আহমেদ নয়ন
কবি মফিজুল ইসলাম
সালেহ আহমেদ পিয়াস
মোঃ সুজন
মোঃ বিল্লাল
সৈয়দ রিপন
এবং আরও বহু সংগঠক ও কর্মী।
দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ, শুক্রবার সকাল ১০টায়, জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে ধুলিয়া-তেঁতুলিয়া নদীভাঙন রোধ আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচি পালন করা হবে।
যেহেতু নদীভাঙনের মূল কেন্দ্র ধুলিয়া এলাকা এবং সৈয়দ রিপনের বাড়িও ধুলিয়াতে অবস্থিত, তাই ধুলিয়ার সাধারণ মানুষকে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব তাঁর উপর অর্পণ করা হয়।
এই সভা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্য দিয়ে ধুলিয়া-তেঁতুলিয়া নদীভাঙন রোধ আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, যা স্থানীয় জনগণকে সংগঠিত করার একটি ঐতিহাসিক এবং স্মরণীয় উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
“ধুলিয়া-তেঁতুলিয়া নদীভাঙন রোধ আন্দোলনের পথিকৃত সৈয়দ নিজামুল হক (সৈয়দ রিপন)।”